Showing posts with label মিষ্টি. Show all posts
Showing posts with label মিষ্টি. Show all posts

Friday, 29 September 2017

পেড়া সন্দেশ



উপকরণ :
  •        গুঁড়া দুধ কাপ
  •         কনডেন্সড মিল্ক  / কাপ
  •         লিকুইড দুধ কিংবা কার্নেশন মিল্ক / কাপ
  •         জাফরান ভিজানো দুধ টে চামচ
  •          এলাচি গুঁড়া / চা চামচ
  •         ঘি টে চামচ
  •         পেস্তা/কাজুবাদাম গার্নিশের জন্য

প্রণালী :
  • ·        প্রথমেই একটা প্যানে ঘি গরম করে লিকুইড দুধ দিয়ে তাতে গুঁড়া দুধ ঢেলে দিন এবং নেড়েচেড়ে মিশিয়ে নিন |
  • ·         কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে দিন এবং ঘন ঘন নাড়তে থাকুন | জাফরান ভিজানো দুধ আর এলাচি গুঁড়া দিয়ে সুন্দর করে মিশিয়ে নিন |
  • ·         খেয়াল রাখবেন চুলার আঁচ মিডিয়াম থাকবে আর ঘন ঘন নাড়তে হবে যেন প্যানের গায়ে লেগে না যায় এবং পুড়ে না যায় |
  • ·         নাড়তে নাড়তে যখন প্যানের গা ছেড়ে দিবে মিশ্রণটি আর লিকুইড দুধ শুকিয়ে আঠালো হয়ে আসবে তখন বুঝতে পারবেন সন্দেশ হয়ে গিয়েছে |
  • ·         এবার আগে থেকেই যে বাটিতে সন্দেশের মিশ্রণটি ঢেলে দিবেন সেটিতে ঘি দিয়ে একটু ব্রাশ করে রাখবেন |
  • ·         ইচ্ছে হলে হাতে নিয়ে সুন্দর শেপ করে নিতে পারেন অথবা বরফির মতন বাটিতে ঢেলে ঠান্ডা করে কেটে নিয়ে বাদামকুচি দিয়ে গার্নিশ করে নিতে পারেন |
  • ·         ব্যাস হয়ে গেলো ঝটপট তৈরী খুব মজার পেড়া সন্দেশ


Thursday, 13 October 2016

নারকেলের নাড়ু





নারকেলের গুড়ের নাড়ু

উপকরণ

নারকেল ২টি, গুড় ৩০০ গ্রাম, কপূর্র একচিমটি (নাড়ুকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ব্যবহার করা হয়)

প্রণালি

গুড় নারকেল কড়াইয়ে দিয়ে নাড়তে হবে। নাড়তে নাড়তে একসময় মিশ্রণটি মাখা মাখা হয়ে এলে তাতে একচিমটি কপূর্র দিতে হবে। একপর্যায়ে মিশ্রণটির নারকেল থেকে যখন তেল বের হবে, তখন বুঝতে হবে সেটি নাড়ু বানানোর জন্য উপযুক্ত। এরপর মিশ্রণটি বেটে গোলাকৃতি বানিয়ে পরিবেশন করতে হবে। বাটার ব্যবস্থা না থাকলে হাতে গোলা বানিয়েও তৈরি করা যায় গুড়ের নাড়ু।


নারকেলের চিনির নাড়ু

উপকরণ

নারকেল চারটি কোড়ানো, চিনি ৩০০ গ্রাম, দুধ কেজি বড় এলাচ ২টি।


প্রণালি

নারকেল কোড়ানোর সময় যেন কালো অংশ উঠে না আসে। কড়াইয়ে দুধ দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। ফুটে উঠলে এলাচ চিনি দিতে হবে এবং সাবধানে নাড়তে হবে। দুধ একটু ঘন হয়ে এলে কোড়ানো নারকেল ঢেলে দিতে হবে। ক্রমাগত নাড়াতে হবে, যেন কড়াইয়ের গায়ে লেগে না যায়। ধীরে ধীরে নারকেল দুধের মিশ্রণ ভালোভাবে মিশে গেলে এবং নারকেল থেকে তেল বের হতে থাকলে নামিয়ে হালকা বেটে গোলাকৃতির নাড়ু বানাতে হবে। নাড়ু বেটে নিলে নাড়ুর ওপরের অংশটুকু বেশ মসৃণ হয়। হালকা গরম অবস্থাতেই নাড়ু বানাতে হবে। ঠান্ডা করে বানাতে গেলে গোল আকার দেওয়া কষ্টকর হয়ে ওঠে।


সংগৃহীত 
প্রথম আলো


Sunday, 1 September 2013

মিষ্টি দই



উপকরণ: 

দুধ ১ লিটার, চিনি ২০০ গ্রাম, ফুডকালার সামান্য (ইচ্ছে), দইয়ের বীজ (আগের দই) ২ টেবিল-চামচ, মাটির হাঁড়ি ১টি। 

প্রণালি: 

দুধে ১ কাপ পানি মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ৭৫০ মিলিলিটার হলে দই ভালো হয়। মিষ্টি দইয়ের ক্ষেত্রে চিনি দিয়ে দুধ মাঝেমধ্যে নাড়তে হবে। দুধ ঘন হলে চুলা থেকে নামিয়েও নাড়তে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হলে মাটির হাঁড়িতে ঢেলে দইয়ের বীজ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিতে হবে। পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পর দই জমে যাবে। ঠান্ডা হওয়ার জন্য ফ্রিজে তুলে রাখুন ঘরে পাতা মিষ্টি দই। বিভিন্ন ধরনের ফল কুচি করে দিয়ে পরিবেশন করা যায় ডেজার্ট হিসেবে।

ঘর এ তৈরি মিষ্টি দৈ



উপকরণ :

দুধ-৪ লিটার, চিনি-১ কাপ, টক দই-২ টেবিল চামচ। 

প্রনালী :

দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে অর্ধেক করুন। দুধ জ্বালানোর সময় করার সময় অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন যাতে সর না পড়ে।এবার চুলা থেকে নামিয়ে দুধ উঁচু থেকে পাত্রে ঢালুন।দুধ অল্প গরম থাকতে ফেটানো টক দই মিলিয়ে নিন। এবার পাত্রের মুখে ঢাকনা দিয়ে গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে এমনভাবে রাখবেন যেন নাড়া না লাগে।১২ ঘণ্টা পর ঢাকনা খুলে দেখুন, দই জমে যাবে। দইয়ের পরিবর্তে সিরকা বা লেবুর রস দিলেও দই জমবে।